April 8, 2026, 1:37 am

সংবাদ শিরোনাম
নিজের অপরাধ আড়াল করতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ মেইন রাস্তার ধুলো নয়, নীরব বিষ: রংপুরে তামাক ক্রাসিংয়ের অবৈধ বিস্তার রংপুরে হামের ছায়া: সংখ্যা নয়, গল্পগুলোই বলছে আসল কথা দিনাজপুরে আশ্রম ও এতিমখানায় ৩ কোটি ৬২ লক্ষ ৮৮ হাজার টাকার চেক বিতরণ হাম-আতঙ্কের ভেতর পাঁচ শিশু, রমেকে নীরব লড়াই রংপুরে ”আলোকিতো’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত সাড়ে চার কোটির ছায়া: শ্বশুর সামনে, কাস্টমস্ জামাতার সংযোগ গংগাচড়ায় আপোষের নামে বোনকে ডেকে মারপিট, আসামীদের গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন স্বাস্থ্যসেবা দোরগোড়ায়—দাবি, বাস্তবতা ও অপেক্ষার বৈধ কাগজপত্র-হেলমেট ছাড়া মিলবে না জ্বালানি তেল

জেলগেটে গ্রেফতার আ.লীগের মহা আবিষ্কার: রিজভী

জেলগেটে গ্রেফতার আ.লীগের মহা আবিষ্কার: রিজভী

mostbet

ডিটেকটিভ নিউজ ডেস্ক

সব মামলায় জামিন লাভ করা সত্ত্বেও জেলগেট থেকে বেরোনোর সময় নতুন মামলা দিয়ে গ্রেফতার আওয়ামী লীগের এক মহা আবিষ্কার বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী।

তিনি বলেন, বিএনপিসহ বিরোধী দলের হাজার হাজার নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে নতুন নতুন মামলা দিয়ে ফের গ্রেফতার বর্তমান আওয়ামী নাৎসীবাদী সরকারের বিরোধী দল দমনের আরেকটি পৈশাচিক দৃষ্টান্ত। এটি একটি চরম বেআইনি পন্থা, এ পন্থা অবলম্বন করা হয় শুধুমাত্র বিরোধী দলকে পর্যুদস্ত করার জন্য। গতকাল রোববার দুপুরে নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য বলেন।

রিজভী বলেন, সব মামলা থেকে জামিন লাভের পর রাজনৈতিক বন্দীকে মুক্তি না দিয়ে ফের মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলগেট থেকে গ্রেফতার অবশ্যই একটি অপরাধ। ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকুকে গত বছর গ্রেফতারের পর বেশকিছু সময় গুম করে রাখা হয়। গ্রেফতারের পর গুরুতর অসুস্থ হওয়ার পরেও অসংখ্যবার রিমান্ডে নেওয়া হয়। এক কারাগার থেকে অন্য কারাগারে স্থানান্তরের মাধ্যমে দৈহিক ও মানসিক নির্যাতন অব্যাহত রাখা হয়। একইভাবে নির্যাতন করা হচ্ছে বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার সভাপতি হাবিব-উন নবী খান সোহেলকে।

আওয়ামী উন্নয়নের জিকিরে জনমনকে বিভ্রান্ত করা যায়নি দাবি করে তিনি বলেন, আওয়ামী উন্নয়নের আড়ালে যে রক্তউৎসব চলছে তাতে সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত। জনগণের সব অধিকার কেড়ে নেওয়া রাজনৈতিক দল হচ্ছে আওয়ামী লীগ। এটি এখন মাফিয়াদের দলে পরিণত হয়েছে। গুম-খুন-অপহরণই হচ্ছে এদের বাণিজ্য। কারণ এরা সুষ্ঠু নির্বাচন ও চিরন্তন গণতন্ত্রের ধারণা নিজেদের মতো জনগণের মন থেকেও মুছে দিতে চায়। আর এজন্য নির্বাচনের দিনের আগের রাতের ভোটকে প্রতিষ্ঠিত করতে চায়। ৩০ ডিসেম্বরের পর নির্বাচন কমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, আওয়ামী এমপি-মন্ত্রীরাও মিড-নাইট ভোটের গুণকীর্তন করছেন।

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর